এ বছর জনপ্রতি ফিতরার ন্যূনতম পরিমাণ ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৬ হিজরি সনের জন্য এই হার নির্ধারিত হয়।
কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে তিনি গণমাধ্যমকে ফিতরার নির্ধারিত হার সম্পর্কে জানান।
শরিয়াহ অনুযায়ী, ফিতরা হিসেবে গম, আটা, যব, খেজুর, কিশমিশ বা পনিরের নির্দিষ্ট পরিমাণ অথবা এসব পণ্যের বাজারমূল্য বিতরণ করা যাবে। গম বা আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা তার বাজারমূল্য ১১০ টাকা দিতে হবে। যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা তার বাজারমূল্য ৫৩০ টাকা, খেজুরের জন্য ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা ২,৩১০ টাকা, কিশমিশের জন্য ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা ১,৯৮০ টাকা এবং পনিরের জন্য ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা ২,৮০৫ টাকা দিতে হবে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারমূল্যের ভিত্তিতে এবারের ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেকোনো একটি পণ্য বা তার সমমূল্যের টাকা প্রদান করে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন। স্থানীয় বাজারমূল্যের তারতম্য থাকায়, নিজ এলাকার বাজারমূল্য অনুযায়ীও ফিতরা প্রদান করা যাবে।
সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য, বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আসন্ন ঈদুল ফিতর ৩১ মার্চ বা ১ এপ্রিল উদযাপিত হতে পারে।